০৪:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

শরীয়তপুরে স্বামীকে বেঁধে স্ত্রীকে ধর্ষণ, ৯৯৯ ফোনকলে গ্রেফতার ৩

  • আপডেট: ০২:৫৯:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
  • / ১৮০০৪

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

শরীয়তপুরের নড়িয়ায় স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষণ করার সময় ৯৯৯ নম্বরে ফোন পেয়ে ভুক্তভোগীদের উদ্ধার এবং অভিযুক্ত তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বুধবার (২৯ জুলাই) দুপুরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর গণমাধ্যম ও জনসংযোগ কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক আনোয়ার সাত্তার এই তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, সোমবার (২৭ জুলাই) রাত ১১টায় শরীয়তপুর নড়িয়া থানাধীন আচুড়া গ্রামস্থ জনৈক আজিজ ঢালীর বাগান থেকে একজন কলার ‘জাতীয় জরুরি সেবা’ ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে জানান যে, সেখানে কয়েকজন দুর্বৃত্ত মিলে এক ব্যক্তিকে আটকে রেখেছে এবং এক নারীকে নির্যাতন করছে। ৯৯৯ তাৎক্ষনিকভাবে নড়িয়া থানাকে বিষয়টি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জানায়।

আনোয়ার সাত্তার বলেন, ভিক্টিমের স্বামী রাজিব আহমেদ খানকে তার পরিচিত হযরত আলী খন্দকার নামে একজন লোক মোবাইল ফোনে আজিজ ঢালীর বাগানে যাওয়ার কথা বলে। ভিকটিমের স্বামী রাজিব আহমেদ খান ঘটনাস্থলে গেলে হযরত আলী, খন্দকার রাব্বি ও ইমন খন্দকারসহ আরো অজ্ঞাত তিন চারজন মিলে ভিকটিমের স্বামীকে বেঁধে ফেলে বলেন ‘তোর স্ত্রীকে ফোন দিয়ে টাকা নিয়ে আসতে বল তাহলে তোকে আমরা ছেড়ে দেব।‘ এরপর কলার তার স্ত্রীকে (২৫) ফোন করে ঘটনাস্থলে আসতে বলেন। তখন ভিকটিমকে দুই ব্যক্তি আটিপাড়া থেকে একটি অটোযোগে ঘটনাস্থলে এনে ভিকটিমের স্বামীকে মারধর করে হযরত আলী খন্দকার ও মো. রাব্বি ভিকটিমকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।

তিনি বলেন, ৯৯৯ থেকে খবর পেয়ে নড়িয়া থানা পুলিশ ভিকটিম ও ভিকটিমের স্বামীকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে। এসময় এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে অভিযুক্ত হযরত আলী খন্দকার (৪২), মো. রাব্বি (২৮) এবং সহযোগী আসামী ইমন খন্দকারকে (২৬) গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় একটি মামলায় আসামিদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

শরীয়তপুরে স্বামীকে বেঁধে স্ত্রীকে ধর্ষণ, ৯৯৯ ফোনকলে গ্রেফতার ৩

আপডেট: ০২:৫৯:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

শরীয়তপুরের নড়িয়ায় স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষণ করার সময় ৯৯৯ নম্বরে ফোন পেয়ে ভুক্তভোগীদের উদ্ধার এবং অভিযুক্ত তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বুধবার (২৯ জুলাই) দুপুরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর গণমাধ্যম ও জনসংযোগ কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক আনোয়ার সাত্তার এই তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, সোমবার (২৭ জুলাই) রাত ১১টায় শরীয়তপুর নড়িয়া থানাধীন আচুড়া গ্রামস্থ জনৈক আজিজ ঢালীর বাগান থেকে একজন কলার ‘জাতীয় জরুরি সেবা’ ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে জানান যে, সেখানে কয়েকজন দুর্বৃত্ত মিলে এক ব্যক্তিকে আটকে রেখেছে এবং এক নারীকে নির্যাতন করছে। ৯৯৯ তাৎক্ষনিকভাবে নড়িয়া থানাকে বিষয়টি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জানায়।

আনোয়ার সাত্তার বলেন, ভিক্টিমের স্বামী রাজিব আহমেদ খানকে তার পরিচিত হযরত আলী খন্দকার নামে একজন লোক মোবাইল ফোনে আজিজ ঢালীর বাগানে যাওয়ার কথা বলে। ভিকটিমের স্বামী রাজিব আহমেদ খান ঘটনাস্থলে গেলে হযরত আলী, খন্দকার রাব্বি ও ইমন খন্দকারসহ আরো অজ্ঞাত তিন চারজন মিলে ভিকটিমের স্বামীকে বেঁধে ফেলে বলেন ‘তোর স্ত্রীকে ফোন দিয়ে টাকা নিয়ে আসতে বল তাহলে তোকে আমরা ছেড়ে দেব।‘ এরপর কলার তার স্ত্রীকে (২৫) ফোন করে ঘটনাস্থলে আসতে বলেন। তখন ভিকটিমকে দুই ব্যক্তি আটিপাড়া থেকে একটি অটোযোগে ঘটনাস্থলে এনে ভিকটিমের স্বামীকে মারধর করে হযরত আলী খন্দকার ও মো. রাব্বি ভিকটিমকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।

তিনি বলেন, ৯৯৯ থেকে খবর পেয়ে নড়িয়া থানা পুলিশ ভিকটিম ও ভিকটিমের স্বামীকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে। এসময় এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে অভিযুক্ত হযরত আলী খন্দকার (৪২), মো. রাব্বি (২৮) এবং সহযোগী আসামী ইমন খন্দকারকে (২৬) গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় একটি মামলায় আসামিদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।