১২:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬

পাকস্থলীতে করে ইয়াবা সরবরাহ, গ্রেফতার ২

  • আপডেট: ১২:০৭:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬
  • / ১৮০০১

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

রাজধানীর শাহবাগের দোয়েল চত্ত্বর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে পেটের ভেতরে পাকস্থলীতে করে ইয়াবা ট্যাবলেট সরবরাহ করার দুই জনকে গ্রেফতার করেছে কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটিটিসি)।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাতে ডিএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) নিয়াজ মেহেদী এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, সিটিটিসি’র একটি চৌকষ টিম রাজধানীর শাহবাগ থানা এলাকার দোয়েল চত্ত্বরে অভিযান পরিচালনা করে। তারা কক্সবাজার থেকে আসা মো. হাসানকে (৪০) সন্দেহ করে যে তার পেটের ভেতরে ইয়াবা আছে। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক্সরে এর মাধ্যমে ইয়াবা সনাক্ত করা হয়। এসময় চিকিৎসকের সুপারভিশনে পেটের ভেতর থেকে ১৩২০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এছাড়া ২টি মোবাইল ও ৪৫০০ টাকা জব্দ করা হয়। এসময় অপর সহযোগী এখলাস মিয়াকেও (৬৫) গ্রেফতার করা হয়।

নিয়াজ মেহেদী বলেন, গ্রেফতার আসামিরা চিহ্নিত ইয়াবা ব্যবসায়ী। তারা কক্সবাজার থেকে বিশেষ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিষিদ্ধ মাদকদ্রব্য ইয়াবা পেটের ভেতরে করে ঢাকা শহরে এনে বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করে আসছে। তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

পাকস্থলীতে করে ইয়াবা সরবরাহ, গ্রেফতার ২

আপডেট: ১২:০৭:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

রাজধানীর শাহবাগের দোয়েল চত্ত্বর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে পেটের ভেতরে পাকস্থলীতে করে ইয়াবা ট্যাবলেট সরবরাহ করার দুই জনকে গ্রেফতার করেছে কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটিটিসি)।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাতে ডিএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) নিয়াজ মেহেদী এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, সিটিটিসি’র একটি চৌকষ টিম রাজধানীর শাহবাগ থানা এলাকার দোয়েল চত্ত্বরে অভিযান পরিচালনা করে। তারা কক্সবাজার থেকে আসা মো. হাসানকে (৪০) সন্দেহ করে যে তার পেটের ভেতরে ইয়াবা আছে। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক্সরে এর মাধ্যমে ইয়াবা সনাক্ত করা হয়। এসময় চিকিৎসকের সুপারভিশনে পেটের ভেতর থেকে ১৩২০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এছাড়া ২টি মোবাইল ও ৪৫০০ টাকা জব্দ করা হয়। এসময় অপর সহযোগী এখলাস মিয়াকেও (৬৫) গ্রেফতার করা হয়।

নিয়াজ মেহেদী বলেন, গ্রেফতার আসামিরা চিহ্নিত ইয়াবা ব্যবসায়ী। তারা কক্সবাজার থেকে বিশেষ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিষিদ্ধ মাদকদ্রব্য ইয়াবা পেটের ভেতরে করে ঢাকা শহরে এনে বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করে আসছে। তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন।