১০:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে মুখে স্কচটেপ বাঁধা লাশ উদ্ধারের ঘটনায় তিনজন গ্রেফতার

  • আপডেট: ০৯:৫৩:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৮০০৩

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

রাজধানীর বনানী এলাকায় ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ওপর থেকে স্কচটেপ দিয়ে মুখ আটকানো লাশ উদ্ধারের ঘটনায় সন্দেহভাজন বাসচালক সোহেল রানাসহ (৪০) তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গ্রেফতারকৃত অপর দুই আসামি হলেন–বাসের সুপারভাইজার ও হেলপারকে।

র‍্যাব-১ থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আজ শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) এ তথ্য জানানো হয়।

র‍্যাব জানায়, গত ৪ সেপ্টেম্বর সকাল নয়টার দিকে বনানী এলাকায় এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ওপর থেকে অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে আঙুলের ছাপের মাধ্যমে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যভান্ডার থেকে তার পরিচয় শনাক্ত করা হয়। নিহত ব্যক্তির নাম ইসমাইল হোসেন। তিনি জামালপুর সদর উপজেলার জালাল উদ্দিনের ছেলে।

র‍্যাবের ভাষ্য, জমি বিক্রির পাঁচ লাখ টাকা নিয়ে ইসমাইল জামালপুর থেকে গাজীপুরে ফিরছিলেন। পথে তাকে শ্বাসরোধে হত্যার পর লাশ এক্সপ্রেসওয়ের ওপর ফেলে দেওয়া হয় বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে।

ঘটনার পর হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে ছায়াতদন্ত শুরু করে র‍্যাব-১। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় বাসচালক সোহেল রানাকে হত্যাকাণ্ডের প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে শনাক্ত করা হয়।

পরে ডিএমপির বনানী থানার আওতাধীন মহাখালী এলাকার ডেডিকেটেড কোভিড হাসপাতালের সামনে অভিযান চালিয়ে সোহেল রানাকে গ্রেফতার করা হয়।

র‍্যাব জানায়, পুলিশের সঙ্গে যৌথ অভিযান চালিয়ে বাসটির সুপারভাইজার সাজু (২৮) ও হেলপার মনিরকে (১৮) গ্রেফতার করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ‘রাজ ক্লাসিক’ বাসটিও জব্দ করা হয়েছে।

গ্রেফতার সোহেল রানাকে ডিএমপির বনানী থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। অন্য দুই আসামির বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে র‍্যাব।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে মুখে স্কচটেপ বাঁধা লাশ উদ্ধারের ঘটনায় তিনজন গ্রেফতার

আপডেট: ০৯:৫৩:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা

রাজধানীর বনানী এলাকায় ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ওপর থেকে স্কচটেপ দিয়ে মুখ আটকানো লাশ উদ্ধারের ঘটনায় সন্দেহভাজন বাসচালক সোহেল রানাসহ (৪০) তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গ্রেফতারকৃত অপর দুই আসামি হলেন–বাসের সুপারভাইজার ও হেলপারকে।

র‍্যাব-১ থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আজ শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) এ তথ্য জানানো হয়।

র‍্যাব জানায়, গত ৪ সেপ্টেম্বর সকাল নয়টার দিকে বনানী এলাকায় এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ওপর থেকে অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে আঙুলের ছাপের মাধ্যমে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যভান্ডার থেকে তার পরিচয় শনাক্ত করা হয়। নিহত ব্যক্তির নাম ইসমাইল হোসেন। তিনি জামালপুর সদর উপজেলার জালাল উদ্দিনের ছেলে।

র‍্যাবের ভাষ্য, জমি বিক্রির পাঁচ লাখ টাকা নিয়ে ইসমাইল জামালপুর থেকে গাজীপুরে ফিরছিলেন। পথে তাকে শ্বাসরোধে হত্যার পর লাশ এক্সপ্রেসওয়ের ওপর ফেলে দেওয়া হয় বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে।

ঘটনার পর হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে ছায়াতদন্ত শুরু করে র‍্যাব-১। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় বাসচালক সোহেল রানাকে হত্যাকাণ্ডের প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে শনাক্ত করা হয়।

পরে ডিএমপির বনানী থানার আওতাধীন মহাখালী এলাকার ডেডিকেটেড কোভিড হাসপাতালের সামনে অভিযান চালিয়ে সোহেল রানাকে গ্রেফতার করা হয়।

র‍্যাব জানায়, পুলিশের সঙ্গে যৌথ অভিযান চালিয়ে বাসটির সুপারভাইজার সাজু (২৮) ও হেলপার মনিরকে (১৮) গ্রেফতার করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ‘রাজ ক্লাসিক’ বাসটিও জব্দ করা হয়েছে।

গ্রেফতার সোহেল রানাকে ডিএমপির বনানী থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। অন্য দুই আসামির বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে র‍্যাব।